নাঙ্গলকোটে খাল খনন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের নোয়াপাড়াগ্রামে খাল খনন নিয়ে দু’ পক্ষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন দু’ পক্ষ। এক পক্ষ মাটিবিক্রির অভিযোগ আনলেও অপর পক্ষ বলছেন খাল পুনুরদ্ধারের কথা। সরকারি জায়গার মাটিবিক্রির বাণিজ্য চলছে উল্লেখ করে সম্প্রতি
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন গ্রামের এক পক্ষ।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ‘নাঙ্গলকোটে খাল খননের নামে মাটিবিক্রির মহোৎসব’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে মাটিবিক্রির নেপথ্যে স্থানীয় আসলাম হোসেন বাবলু, আবুল কালাম আজাদ, জালাল আহম্মদ ও আবু
সুফিয়ান জুলিয়াছের নাম উল্লেখ করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ জানান, দীর্ঘদিন ধরে নোয়াপাড়া গ্রামে সরকারি
খালের জায়গা দখল করে রেখেছে একটি মহল।

কিছুদিন আগে খাল পুনঃখননের জন্য সরকারি বরাদ্দ চেয়ে একটি আবেদন করেন গ্রামবাসী। বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমের জলাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে গ্রামবাসী সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করেন। খাল খননে সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় মাটি বিক্রি
করেই খননের খরচ বহন করতে হয় তাদের। খনন কাজকে ব্যাহত করতে মাটিবিক্রির বাণিজ্য চলছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন খাল দখলকারীরা। আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান জুলিয়াছ বলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখলাম খাল খননের নেপথ্যে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে আমাকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বস্তুতপক্ষে আমি আদৌ এ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নই। তবে গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের জলাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে তারা সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করেছেন। সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় মাটি বিক্রি করেই খননের খরচ বহন করতে হচ্ছে। খনন কাজকে ব্যাহত করতে মাটিবিক্রির বাণিজ্য চলছে বলে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন খাল দখলকারীরা।’