কারাগারে নয়, পরিবারের সঙ্গে থাকার সাজা পেলেন আসামি

কারাগারে নয়, বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থাকার সাজা পেয়েছেন এক আসামি। অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে প্রবেশন এন্ড অফেন্ডার্স অর্ডিনেন্স ১৯৬০ (সংশোধিত ১৯৬৪) এর ৫ ধারা মোতাবেক এমন সাজা দেয়া হয়েছে তাকে।
গত ১০ এপ্রিল সুনামগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই রায় দিয়েছেন। পৌর শহরের হাসননগরের এক বাসিন্দাকে এ সাজা প্রদান করা হয়।
আইনে বলা হয়েছে, যে কোন বয়সে প্রথমবার ও লঘু অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে দোষ স্বীকার করলে আদালত দণ্ড স্থগিত রেখে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট মেয়াদে পরিবার বা সমাজে রেখে সংশোধন ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ প্রদান করা হয়। আর এই সুযোগটিই পেয়েছেন ওই আসামি।
রায়ে বলা হয়েছে, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার শাহ মো. শফিউর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসামি পরিবারে আগামী ১ বছরের সাজা ভোগ করবেন। প্রবেশনকালীন মেয়াদে অপরাধীকে কাউন্সেলিং, মনিটরিংসহ তার উন্নয়নের বিষয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন সমাজসেবা অফিসার।
সূত্রের খবর, মাদক আইনের মামলায় নিজে অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় আদালত তার প্রতি এমন রায় দেন।
এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার শাহ মো. শফিউর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, সুনামগঞ্জে এই প্রথম একজনকে প্রবেশন আইনে সাজা দেয়া হয়েছে। এমন সাজায় সমাজে অপরাধীর সংখ্যা কমে আসবে এবং প্রবেশন আইন মানুষের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।